ছাত্রজীবনে ক্যারিয়ার প্রস্তুতি

    Intelligent Robot
    By Intelligent Robot
     
    ছাত্রজীবনে ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি নিয়ে এক সেমিনারে ইনভাইট করেছিলাম ইশতিয়াক ভাইকে। একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির বাংলাদেশের প্রধান হিউম্যান রিসোর্স কর্মকর্তা। তিনি জানালেন, কোন একটা পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য ভাল মানের গ্রাজ্যুয়েট তাঁরা পাচ্ছেন না! অথচ লক্ষ লক্ষ উচ্চ শিক্ষিত বেকার! এদেরকে তিনি মানসম্পন্ন গ্রাজ্যুয়েট বলতে নারাজ। আসল কথা হল, আজকালকার চাকুরীর বাজারে কেবল ভাল সিজিপিএধারী গ্র্যাজুয়েট হলেই চলে না। দরকার হয় কিছু বিশেষ যোগ্যতার। উদাহরণস্বরূপ, বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এখন চায় এমন লোক যার ভাল কমিউনিকেশন স্কিল আছে। মানে সে যে জ্ঞান অর্জন করে এসেছে, তা অন্যদের কাছে কমিউনিকেট করার যোগ্যতা থাকা চাই। কেবল বসে থেকে হিসেব নিকেশ করলেই চলবে না, কম্পিউটারে টাইপ করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না, মানুষের সাথে কথা বলতে হয়। কমিউনিকেট করতে হয়। নিজের চিন্তাকে অন্যের কাছে উপস্থাপন করতে হয়। নিজে একা একা কাজ করলে হয় না, টিমের সাথে কাজ করতে হয়। আর টিমে কাজ করতে গেলে অবশ্যই কমিউনিকেট করতেই হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক গ্র্যাজুয়েটদের এই কমিউনিকেশন স্কিল একেবারেই নেই। মজার ব্যাপার হল, এই কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানোর জন্য ছাত্রজীবনে আহামরি কিছু করতে হয় না। নিজের বন্ধুমহলে স্বতঃস্ফুর্ত থাকা, ক্লাসে টিচারকে প্রশ্ন করা, টিচার কিছু জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেয়া। বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেয়া। চুপ করে না থেকে কথা বলা, নিজের চিন্তা শেয়ার করা- এসব কিছুতে কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ে। অনেকে আবার একা একা অনেক কিছুই করে ফেলতে পারে। কিন্তু একটা টিমের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে পারে না। ঝামেলায় জড়িয়ে যায়। অথচ আজকাল বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই জুনিয়র লেভেলে এমনকি মিড লেভেলে অনেক সহকর্মীদের সাথে মিলেমিশে কাজ করতে হয়।

    গ্রুপ ওয়ার্ক
    কিছু কিছু কাজের ধরণ এমন যে, সেখানে একজনের কাজের উপর অন্যজনের কাজ নির্ভর করে। এক্ষেত্রে পরস্পরের মাঝে সমন্বয় থাকা চাই। তা না হলে ব্যাপক ঝামেলা তৈরি হয়। প্রতিষ্ঠানের লস হয়। এমন ব্যক্তিকে কাজে রেখেই বা কী লাভ! এসব ক্ষেত্রে যাদের টিম স্পিরিট বেশি, সবার সাথে মিলেমিশে কাজ করে অভ্যস্থ, প্রয়োজনে নিজের মতের স্যাক্রিফাইস করতে পারে তারাই এগিয়ে যায়। টিম স্পিরিটের এই গুণ ছাত্রজীবনেই অর্জন করতে হয়। বিভিন্ন ধরণের একাডেমিক গ্রুপওয়ার্ক, গ্রুপ এসাইনমেন্ট, গ্রুপ প্রেজেন্টেশন, গ্রুপ স্টাডি ইত্যাদি করতে গিয়ে টিমওয়ার্কের বেসিক অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। যারা গ্রুপ এসাইনমেন্টে ফাঁকিবাজি করে, সব সময় পিছিয়ে থাকার মানসিকতা নিয়ে থাকে, একা একা চলায় অভ্যস্থ তারা প্রফেশনাল লাইফে গিয়ে বেশ বিপদেই পড়ে। চাকুরীদাতারা তাই কাউকে কাজ দেবার আগে এসব যাচাই করে নেয়। আর এসব যোগ্যতা যাচাই করার বিভিন্ন টেকনিক চাকুরিদাতারা বের করে ফেলেছেন। বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটদের একটা বড় অযোগ্যতা হল, ল্যাংগুয়েজ স্কিল। এই জায়গাটাতে অনেকেই বেশ পিছিয়ে। বিশেষ করে নিজের মাতৃভাষার বাইরে একটা আন্তর্জাতিক ভাষাতে দক্ষ হবার বিকল্প নেই। বিশ্বায়নের এই যুগে ইংরেজি ভাষায় লিখতে ও বলতে পারাটা স্মার্টনেসের একটা কমন অনুষঙ্গ। আমি প্রথমবার যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদের লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলাম, বেশ অবাক হয়ে যাই! আমি জানতাম, দেশের সেরা মেধাবীরাই বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে। আমি তো এত সেরাদের দলে নই। যাক, অনেক চিন্তাভাবনা করে বের করলাম, শুধুমাত্র গণিত আর ইংরেজিতে ভাল হবার কারণেই লিখিত পরীক্ষায় পাশ করেছি। এই ইংরেজিতে কিছুটা জ্ঞান থাকার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের ইভেনিং মাস্টার্স প্রোগ্রামেও চান্স পাই। তার মানে, কেবল ইংরেজিতে দক্ষ হলেই যে কেউ চাকুরীর বাজারে অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারে। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার জুনিয়র দুইজন ছাত্রের গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট হবার আগেই ঢাকায় জব হয়ে গিয়েছিল। খবর নিয়ে জানা গেল, মূলত ঐ জবে ভাল ইংলিশ জানা ও কমিউনিকেশন স্কিল দরকার ছিল। আর তারা দুজনেই ছিল ইংলিশে এক্সপার্ট। শুধু ইংলিশ কিছুটা জানতাম বলে ছাত্রজীবনে অনেকগুলো টিউশনি পেয়েছিলাম। আর কর্মজীবনে এসেও এর অনেক সুফল ভোগ করছি। ছাত্রজীবনে আমাদের এক বড় ভাই বলেছিলেন, একাডেমিক নলেজ যা অর্জন করেছ, চাকুরী করার জন্য এর চেয়ে বেশি দরকার নেই। তবে এই নলেজটুকুই যেন ইংরেজিতে প্রকাশ করতে পার যে কোন ইন্টার্ভিউতে। কারণ, আজকাল চাকুরীর বেশিরভাগ ইন্টার্ভিউই হয় ইংরেজিতে। সংশ্লিষ্ট কাজের সাথে মানানসই যত যোগ্যতাই থাকুক না কেন, ইংরেজি বলতে না পারলে ভাইভাতে পারফরমেন্স খারাপ হয়ে যায়। তখন চাকুরী হয়ে যায় সুদূর পরাহত। অথচ এই ইংরেজি শিখতে কত সময় লাগে? আমরা যদি ইংরেজি ভাষাভাষী কোন দেশে জন্মগ্রহণ করতাম, তাহলে ছোটবেলাতেই ইংরেজি শিখে ফেলতাম! একটা বাচ্চার ভাষা শিখতে কয় বছর সময় লাগে? বড় জোর দুই বছর। না, আরও কম! যেমন একটা বাচ্চা মোটামুটি দুই বছর বয়সেই কথা বলতে শুরু করে। ঐ সময়ে সে যে ভাষার পরিবেশে থাকে সেই ভাষাই রপ্ত করে। প্রথম প্রথম ভুল হয়। যেমন বাংলাদেশে অনেক বাচ্চারা প্রথম প্রথম পানিকে ‘মাম’ বলে। ওর আম্মুকে যদি কেউ আপা বলে ডাক দেয়, অমনি সেও আপা বলা শুরু করে। কিন্তু অন্যরা তখন সংশোধন করে দেন। বাচ্চাটি কিন্তু ভাষা শেখার ক্ষেত্রে এভাবে ভুল করলেও হতাশ হয় না। ভেঙে পড়ে না। হাল ছেড়ে দেয় না। সে শিখতেই থাকে। আমাদের অনেকে ইংরেজি শিখতে গিয়ে একটু ভুলচুক হলেই হতাশ হয়ে পড়ে। মনে করে তাকে দিয়ে আর হবে না। অথচ এই আমরাই যদি ইংরেজি ভাষার কোন দেশে জন্ম নিতাম, তাহলে এত বড় হবার পর ইংরেজি শেখার চেষ্টা করতে হত না। আরও কম বয়সেই ইংরেজি শিখে ফেলতে পারতাম। এখন দেখা যাক, ভাষা শেখার বয়সে একটা বাচ্চা যদি প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা করে ঘুমায়, তাহলে সে বাকী ১৪ ঘণ্টা সময় তার পরিবেশ থেকে ভাষা শিখে ফেলে। আমরাও এই প্রক্রিয়াতে বাংলা ভাষা শিখেছি। এখন যদি ইংরেজি শিখতে চাই, আমাদের চারপাশে এরকম ১৪ ঘণ্টার একটা ইংরেজি পরিবেশ থাকা দরকার! কিন্তু তা একেবারেই অসম্ভব। তবে একটা কাজ করা যায়। আমরা কৃত্রিমভাবে নিজেদের জন্য একটা ইংরেজি পরিবেশ তৈরি করতে পারি! যেমন প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে নিজের জন্য একটা ইংরেজি পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। এই দুই ঘণ্টা আমি যা পড়ব, শুনব, দেখব, বলব তা হবে ইংলিশ। এটা সম্ভব। একটানা দুই ঘণ্টা না হলেও সকালে এক ঘণ্টা আর রাতে এক ঘণ্টা সময় বের করা যায়। এসময়ে আমি যা পড়ব, বলব, দেখব, শুনব, লিখব তা হবে ইংলিশ। কোন ইংলিশ বই পড়া, ইংলিশ লেকচার শোনা, কোন কিছু লেখা, ইংলিশ ভিডিও দেখা কিংবা বন্ধুবান্ধব কারও সাথে ইংরেজিতে কথা বলা যেতে পারে এসময়ে। এভাবে প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে প্র্যাকটিস করলে সাত দিনে হবে ১৪ ঘণ্টা। একটা ইংরেজি বাচ্চার সমান! তার মানে, আমি প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে ইংরেজি চর্চা করলে একদিনেই একটা ইংলিশ বাচ্চার সাত ভাগের একভাগ ইংরেজি শিখে ফেলতে পারব! তবে প্রতিদিন আবার যাচাই করার দরকার নেই যে, কতটুকু শিখলাম! আমরা যেরকম প্রতিবেলায় খাবার খেয়ে নিজের শরীরের দিকে তাকাই না, কতটুকু স্বাস্থ্য বাড়ল! এভাবে যাচাই না করে ইংরেজি শেখার জন্য লেগে থাকতে হবে। বাচ্চারা যেভাবে লেগে থাকে। সে ভুল হলেও শিখতে থাকে। হাল ছেড়ে দেয় না। কয়েকমাস পরে দেখা যাবে অনেক উন্নতি হয়েছে। আমরা যে পরিমাণ সময় ফেইসবুকে থাকি, তখন ইংরেজি শিখতে পারি অনায়াসেই। ইংরেজি ভাষা শেখার অনেকগুলো পেইজ আছে। ফ্রেন্ডদের সাথে ইংরেজিতে চ্যাট করা যায়। চ্যাটে ভুল হলেও সমস্যা নেই। সবাই বুঝে নিতে পারে। নিজের ওয়ালে ইংলিশে পোস্ট করা যায়। সবেচেয় ভাল হয় টিচারদের সাথে ইংরেজিতে কমিউনিকেট করলে। তাঁরা খুশিও হন। টিচারদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে মেসেজ কিংবা ইমেইল করা যায় ইংরেজিতে। ভুল হলেও কোন সমস্যা নেই। টিচারদের কাছে যে কোন ব্যাপারেই ভুল ধরা পড়তে পারে। তাঁরা সংশোধন করে দিতে পারেন সহজেই। এভাবে ভুল করতে করতেই বাচ্চাদের মত ভাষা শেখা সম্ভব। বর্তমান চাকুরীর বাজারে কিছু কিছু চাকুরীদাতা অভিজ্ঞতা চেয়ে বসে থাকেন। কিন্তু চাকুরী হবার আগে অভিজ্ঞতা আসবে কোত্থেকে? এ যেন ডিম আগে না মুরগী আগে! তবে আমাদের নিয়াজ স্যার এর একটা সমাধান দিয়েছেন। এটা সত্য যে কিছু কিছু কাজ আছে ফ্রেশ গ্রাজুয়েটরা সহজে পারবে না। তবে কিছুটা একই ধরণের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সহজেই ঐ কাজগুলো করা যায়। এধরণের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার কোন বিকল্প নেই। নিয়াজ স্যারের মতে, ইন্টার্নশিপ করা, বিভিন্ন ধরণের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতা মানুষকে প্রফেশনাল লাইফের জন্য উপযোগী করে তোলে। বিশেষ করে এসব কাজের সাথে সম্পর্ক থাকলে নিজের লিডারশিপ যোগ্যতা বিকশিত হয়, কনফিডেন্স বাড়ে, মানুষকে চেনা যায়, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বাড়ে, সিদ্ধান্ত দেবার দক্ষতার উন্নতি হয়।

    লিডারশিপ
    নিজে নিজেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের উদ্যোগ নেয়া সম্ভব। নিজের গ্রামে কয়েকজন তরুণ-যুবক, ছাত্রদের নিয়ে একটা সামাজিক উন্নয়নমূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। কিংবা কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব মিলে মানুষের জন্য, সমাজের জন্য উন্নয়নমূলক কিছু কাজের উদ্যোগ অনেকেই নিয়ে থাকে। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য, মানুষের কষ্ট লাঘব করার জন্য কিছু সামষ্টিক কাজ করার চেষ্টা করা যেতে পারে। এসব করলে নিজের ব্যক্তিকেন্দ্রিক, আত্মকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা কমে আসে। সমাজের জন্য কিছু করার মাঝে একটা আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়। অনেক অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়। সিভিতে লেখা যায়। চাকুরী পেতে কিংবা বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে কাজে লাগে। প্রফেশনাল লাইফে অনেক বেশি হেল্প করে এধরনের অভিজ্ঞতাগুলো। আরেকটা কাজ করা যায়। জব রিলেটেড ট্রেইনিং করা যায়। তাহলে কিছু একটা যোগ হয় সিভি- তে। আর চাকুরীদাতারাও বুঝবেন, এই ছেলে/মেয়ে বেশ জানে। নিজে যে ফিল্ডে কাজ করতে ইচ্ছুক সে ফিল্ড রিলেটেড কিছু ট্রেইনিং এখন থেকেই নেয়া যায়।

    টিম লিডার
    ছাত্রজীবনে খুব সহজেই অনেক সেমিনার, কনফারেন্স ইত্যাদিতে অংশ নেয়া সম্ভব। আমি এপর্যন্ত যতগুলো সেমিনারে যোগ দিয়েছি, তার সবগুলোই আমি আমার CV তে উল্লেখ করি। এতে আমি যে কোন জায়গায় এপ্লাই করলে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকি। ছাত্রজীবনে আমার বন্ধুদের কেউ কেউ ক্যাম্পাসে বা ক্যাম্পাসের বাইরে যেকোন সেমিনার, ওয়ার্কশপে যোগ দেবার সুযোগ পেলেই মিস করত না। আজ তারা আমার চেয়ে অনেক এগিয়ে। কেউবা PhD করছে অস্ট্রেলিয়াতে। বিশেষ করে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য আবেদন করতে গেলে আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয় আমি কী কী সেমিনারে অংশগ্রহন করেছি। তাছাড়া যেকোন সেমিনারে অংশ নিলে সে বিষয়ে নিজের জ্ঞান বাড়ে। বড় বড় লোকদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয়। যেহেতু বর্তমান যুগটাই নেটওয়ার্কিংয়ের যুগ, এখানে নিজের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার কেবল CGPA এর উপরই নির্ভর করে না। নিজের extra-curricular activity অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে। কোন জবের ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় দু’জনের রেজাল্ট সমান তাহলে দেখা হয় কার সহশিক্ষামূলক কাজে অংশগ্রহণ কেমন। সেমিনারে অংশগ্রহণ সহশিক্ষারও একটা অংশ। নেট্ওয়ার্কিং ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে সম্পর্ক, যোগাযোগ, চলাফেরা ইত্যাদি ছাড়া কেউই আমাকে চিনবে না। অপরিচিতদেরকে কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। পরিচিত লোকজন থাকলে যেকোন জায়গায় অনেক বৈধ সুবিধাও পাওয়া যায়। ছাত্রজীবনে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইত্যাদিতে সক্রিয় থাকার মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং স্কিল বাড়ানো সম্ভব।